শীতকালে উষ্ণ পানির চাহিদা বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে গিজারের ব্যবহারও উল্লেখযোগ্যহারে বেড়ে যায়। একটি প্রচলিত বৈদ্যুতিক গিজার প্রতি ঘণ্টায় গড়ে প্রায় দুই হাজার ওয়াট বিদ্যুৎ গ্রহণ করে। ফলে পরিকল্পনাহীন ব্যবহার মাসিক বিদ্যুৎ বিলে সরাসরি চাপ সৃষ্টি করে। কয়েকটি সুনির্দিষ্ট নীতি অনুসরণ করলে এই ব্যয় কার্যকরভাবে নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব।
গিজার দীর্ঘক্ষণ চালু রাখলে পানি পর্যাপ্ত গরম হওয়ার পরও বিদ্যুৎ খরচ অব্যাহত থাকে। প্রয়োজনের পনেরো থেকে বিশ মিনিট পূর্বে চালু করাই যথেষ্ট। ব্যবহার শেষে তাৎক্ষণিকভাবে সুইচ বন্ধ করা একটি অপরিহার্য অভ্যাস হওয়া উচিত।
দৈনন্দিন ব্যবহারের জন্য পঞ্চাশ থেকে ষাট ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা যথেষ্ট। অতিরিক্ত তাপমাত্রা বিদ্যুতের অপচয় ঘটায় এবং যন্ত্রটির কার্যকাল হ্রাস করে।
উন্নত তাপ নিরোধক ব্যবস্থাসম্পন্ন গিজার পানিকে দীর্ঘ সময় উষ্ণ রাখে, ফলে পুনরায় গরম করার প্রয়োজন কমে। পরিবারের সদস্য সংখ্যার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে ট্যাংকের আকার বাছাই করা উচিত। প্রয়োজনের অতিরিক্ত ধারণক্ষমতা বাড়তি বিদ্যুৎ ব্যয়ের কারণ হয়।
পানির খনিজ পদার্থ হিটিং এলিমেন্টে স্তর তৈরি করলে তাপ পরিবহন ব্যাহত হয়, যার ফলে সময় ও বিদ্যুৎ উভয়ই বেশি লাগে। বছরে অন্তত একবার পরিষ্কার করা এবং তার, প্লাগ ও সুইচের অবস্থা পরীক্ষা করা প্রয়োজন।
পরিবারের সদস্যরা পরপর গোসল করলে একই উষ্ণ পানি কার্যকরভাবে কাজে লাগে এবং বারবার নতুন করে গরম করার প্রয়োজন হয় না। পাইপ ও ট্যাংক তাপ নিরোধক আবরণে আবৃত রাখলে তাপক্ষয়ও হ্রাস পায়।
মন্তব্য
এই নিবন্ধটি জন্য কোন মন্তব্য নেই.