১. সহজ নথি যেমন স্লাইড বা সংক্ষিপ্ত প্রতিবেদন প্রক্রিয়াজাত করতে ডিপসিক ওসিআর ব্যবহার করে মাত্র ৬৪ টোকেন।
২. বই বা গবেষণাপত্রের মতো জটিল নথিতে টোকেনের সংখ্যা বেড়ে হয় প্রায় ১০০।
৩. এই টোকেন ব্যবহারের মাধ্যমে ডিপসিক ওসিআর গতি ও নির্ভুলতার মধ্যে ভারসাম্য বজায় রাখে।
পত্রিকার মতো ঘন বিন্যাসের নথি প্রক্রিয়াজাত করার সময় ডিপসিক ওসিআরে সক্রিয় হয় ‘গানডাম মোড’। এই মোডে: ১. সর্বোচ্চ ৮০০ টোকেন ব্যবহার করা হয়।
২. ‘টাইলিং’ কৌশলের মাধ্যমে ছবির প্রতিটি অংশ আলাদাভাবে বিশ্লেষণ করা হয়।
৩. ফলে প্রতিটি কলাম, অনুচ্ছেদ ও উপাদান আলাদাভাবে শনাক্ত করা সম্ভব হয়।
ডিপসিক ওসিআরের কার্যকারিতা যাচাই করা হয়েছে ‘অমনিডকবেঞ্চ’ নামক মানদণ্ডে। পরীক্ষায় দেখা গেছে: ১. অন্যান্য ওসিআর সিস্টেম যেখানে কয়েক শত বা হাজার টোকেন ব্যবহার করেছে, সেখানে ডিপসিক ওসিআর মাত্র ১০০ টোকেনেই সফলভাবে লেখা শনাক্ত করতে পেরেছে।
২. ইংরেজি ও চীনা ভাষায় লেখা নথির ক্ষেত্রে এর ভুলের হার উল্লেখযোগ্যভাবে কম।
৩. এটি প্রমাণ করে যে ডিপসিক ওসিআর শুধু দ্রুত নয়, বরং অত্যন্ত নির্ভুলও।
১. টোকেন ব্যবহারে দক্ষতা ও ভারসাম্য।
২. জটিল নথির জন্য আলাদা মোড ও কৌশল।
৩. আন্তর্জাতিক ভাষায় কম ভুলের হার।
৪. পরীক্ষিত ও মানদণ্ডে স্বীকৃত কার্যকারিতা।
মন্তব্য
এই নিবন্ধটি জন্য কোন মন্তব্য নেই.